ফুঁসে উঠছে কক্সবাজার, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভাংচুর, অগ্নি সংযোগ

মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের সাদরে গ্রহণ করেছিলো কক্সবাজার, খাবার আর আশ্রয় দিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছিল কক্সবাজারের মানুষ। কিন্তু রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর দ্বিতীয় চেষ্টাও ব্যর্থ হওয়ায় শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সব বয়সী মানুষের মধ্যেই বাড়ছে রোহিঙ্গাবিরোধী মনোভাব।

টেকনাফের যুবলীগ নেতা ওমর ফারুককে গুলি করে হত্যার ঘটনায় শুক্রবার বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের পাশাপাশি রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে ভাঙচুর চালায় স্থানীয় বাসিন্দারা।
সে সময় দেখা যায় তাদের চোখে-মুখে ক্ষোভের আগুন। লাঠি হাতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ভেতরে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার সাইনবোর্ড আর বিলবোর্ডগুলো একে একে ভাঙচুর করে তারা। কেবল এনজিওর সাইনবোর্ড নয়, রোহিঙ্গাদের বাঁশ-প্লাস্টিকের তৈরি অস্থায়ী ঘরেও লাঠি পিটায় বিক্ষোভকারীরা।

২০১৭ সালের ২৫ অগাস্টের পর থেকে ১১ লাখ রোহিঙ্গার আগমনে হঠাৎ করেই এ এলাকার জনসংখ্যা বেড়ে গেছে অনেক। উখিয়া ও টেকনাফে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর তুলনায় রোহিঙ্গাদের সংখ্যা এখন প্রায় দ্বিগুণ।

রোহিঙ্গাদের অনেকের অপরাধ প্রবণতা এবং নিরাপত্তার যাতাকলে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এলাকার মানুষ।

নকশী টিভি'র সকল অনুষ্ঠান সরাসরি দেখতে ক্লিক করুনঃ সরাসরি সম্প্রচার

ইউটিউবে নকশী টিভির জনপ্রিয় সব নাটক দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন নকশী টিভির ইউটিউব চ্যানেল