মাস শেষে আব্বায় টাকা পাঠাইতো, এখন পাঠাইবে কে

আব্বায় মাস শেষে টাকা পাঠাইত। সেই টাকায় আমার সব ভাইবোনের পড়ালেখার খরচ চলত। এখন আর টাকা পাঠাইবে কে? আমাদের সবার পড়ালেখা বন্ধ হয়ে গেল।’
বাবা কে হারিয়ে এভাবে আরতনাথ করেছিলেন আবুল বাসারের বড় ছেলে স্নাতক (সম্মান) দ্বিতীয় বর্ষে পড়া হাবিবুর বাসার।

পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি ছিলেন আবুল বাসার মোল্লা (৪০)। নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লার মসজিদে বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার রাতে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে
মারা যান। তাঁর অকালমৃত্যু কোনোভাবেই মানতে পারছেন না স্ত্রী ও সন্তানেরা। স্বজন হারানো শোকের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ নিয়েও তাঁরা দুশ্চিন্তায় আছেন।

আবুল বাসার নারায়ণগঞ্জের একটি ওষুধ কোম্পানির মেশিন অপারেটর ছিলেন। যে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে, তার পাশে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন তিনি। তাঁর স্ত্রী ও পাঁচ সন্তান গ্রামের বাড়িতে থাকতেন।

স্ত্রী তাজিয়া বেগম জানান, শনিবার সকালে তাঁর (আবুল বাসার) সহকর্মীদের কাছ থেকে মুঠোফোনে দুর্ঘটনার খবর পান। সকালে তিনি ছেলেকে নিয়ে চলে যান ঢাকায়। শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের অভ্যর্থনাকক্ষে অপেক্ষা করতে থাকেন। রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে খবর আসে তিনি (আবুল বাসার) আর নেই। রাতেই স্বামীর লাশ নিয়ে বাড়িতে রওনা হন।

নকশী টিভি'র সকল অনুষ্ঠান সরাসরি দেখতে ক্লিক করুনঃ সরাসরি সম্প্রচার

ইউটিউবে নকশী টিভির জনপ্রিয় সব নাটক দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন নকশী টিভির ইউটিউব চ্যানেল

সাম্প্রতিক খবর