শুরুটা কিন্তু সৌম্যর ব্যাটেই

নির্ধারিত ২৪ ওভার শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ যখন ১ উইকেটে ১৫১ রান করেছিলো, তখন ডাক ওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে বাংলাদেশের সামনে টার্গেট দাঁড়ায় ২৪ ওভারে ২১০ রান!

একদিকে পাহাড়সম রান, আরেক দিকে অতীতের গ্লানি ঘোচাতে বাংলাদেশকে চ্যাম্পিয়ন হতেই হবে। একগাদা বোঝা মাথায় নিয়ে ব্যাটিং এ নামলেন তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার।প্রথম দিকে তামিম একটু দেখে খেলছিলেন। কিন্তু সৌম্য ছিলেন পাগলপ্রায়। প্রতি বলেই তার চাই বাউন্ডারি ওভার বাউন্ডারি। তাই তো প্রথম বল থেকেই অনেক আগ্রাসী ছিলেন সৌম্য।বলের উপর চোখ রেখে চালাতে থাকেন ব্যাট। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই তুলে নেন ১৭ রান। প্রথম ৫ ওভারে তামিম সৌম্য মিলে করেন ৫৯ রান।সৌম্য ২৫ বলে তুলে নেন অর্ধশতক। শেশ পর্যন্ত ৪১ বলে ৬৬ রান করে থামে তার ঝড়। রিলিফের বলে কটরেলের হাতে ক্যাচ হয়ে ফিরে যান তিনি।

৬৬ রানের মধ্য ৮০ শতাংশ রান করেছেন বাউন্ডারি আর ওভার বাউন্ডারি মেরে। তার এই বিদ্ধংসী ইনিংস সাজানো ছিলো ৯ টি চার ও ৩ টি ৬ এর মারে।মূলত বাংলাদেশ দলকে জয়ের ভীত গড়ে দিয়েছিলো এই সৌম্য সরকার ই। এমনকি ফাইনালে আসা পর্যন্ত তার অবদান ছিলো অনেক খানি। ৩ ম্যাচ খেলে তিনটিতেই তুলে নিয়েছিলেন ফিফটি।৬৪.৩৩ গড়ে রান করেছেন ১৯৩ রান। স্ট্রাইক রেট ১০০ এর উপর। বিশ্বকাপের আগে ফর্মে ফিরা অনেক ইতিবাচক যা বিশ্বকাপে অনেক কাজে আসবে।

নকশী টিভি'র সকল অনুষ্ঠান সরাসরি দেখতে ক্লিক করুনঃ সরাসরি সম্প্রচার

ইউটিউবে নকশী টিভির জনপ্রিয় সব নাটক দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন নকশী টিভির ইউটিউব চ্যানেল

মন্তব্য যোগ করুন

Your email address will not be published.