সৌদির পাঠ্যবইয়ে কোরআন-হাদিস ছাঁটাই, ইসরায়েলে প্রশংসা
ইসরায়েলি গবেষণা সংস্থা ইমপ্যাক্ট-সে জুলাইয়ের শেষ দিকে সৌদি পাঠ্যক্রমের ওপর তাদের পর্যালোচনা প্রকাশ করে। সেখানেই এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বক্তব্যটি ইঙ্গিত করত যে জেরুজালেমের ওপর মুসলিম নিয়ন্ত্রণ বা সেখানে মুসলিমদের উপস্থিতি হুমকির মুখে রয়েছে। এতে আরও বলা হয়, এই উল্লেখকে ‘জেরুজালেমকে মুসলিম ও অন্যান্য গোষ্ঠীর, বিশেষ করে ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের একটি কেন্দ্র হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।।’
এতে আরও বলা হয়েছে, ইমপ্যাক্ট-সে যেসব বিষয়কে ইহুদিবিদ্বেষ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছে, তার ‘সবগুলো উদাহরণ’ পাঠ্যক্রম থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনটি কোরআন ও হাদিস থেকে কিছু অংশ সরিয়ে দেয়াকে একটি ‘ইতিবাচক উন্নয়ন’ হিসেবে প্রশংসা করেছে। সৌদি পাঠ্যবই থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে এমন একটি সুপরিচিত হাদিস বাদ দেয়া হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে, মুহাম্মদ (সা.) এক অসুস্থ ইহুদি বালককে দেখতে গিয়েছিলেন এবং পরে সেই বালক ইসলাম গ্রহণ করেছিল।